গলা ব্যথায় ভুগছেন? দ্রুত আরামের ১০টি ঘরোয়া উপায়

গলা ব্যথায় ভুগছেন? দ্রুত আরামের ১০টি ঘরোয়া উপায় এই আর্টিকেল থেকে আপনারা জানতে পারবেন। যে আসলে গলা ব্যাথা হলে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বা কি কি উপায় গ্রহণ করলে খুব দ্রুততার সাথে গলা ব্যথা আরাম পাওয়া যাবে।

গলা-ব্যথায়-ভুগছেন_-দ্রুত-আরামের-১০টি-ঘরোয়া-উপায়সাধারণত আমাদের গ্রীষ্মকালীন সময় ও শীতকালীন সময়ের মাঝামাঝি এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। এ ধরনের সমস্যা এড়াতে বাড়িতে বসেই কিভাবে দ্রুত আরাম করতে পারবেন, সে সম্পর্কে আমরা জানবো এই আর্টিকেলে বিস্তারিত।

পেজ সূচিপত্রঃ গলা ব্যথায় ভুগছেন? দ্রুত আরামের ১০টি ঘরোয়া উপায়

ঢোক গিলতে গলা ব্যথা কেন হয়

ঢোক গিলতে গলা ব্যথা কেন হয় আসলে এর নানাবিদ কারণ রয়েছে। গলাব্যথার এই কারণকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটাকে ( Odynophagia ) বলা হয়। গিলতে গিয়ে গলা ব্যথার প্রধান কারণ হতে পারে এতে গলার ভিতরে প্রদাহ সংক্রমণ বা ক্ষত। এটি সাধারণত বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ সেটা ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া অথবা এসিড রিফ্লাক্স ও এলার্জির কারণে হতে পারে।

ভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি বেশি লক্ষ্য করা যায়, যেমন ৯০% ক্ষেত্রেই সাধারণত সর্দি, কাশি ঠান্ডা কারণে গলা ফুলে যায়। যার ফলে ঢোক গিলে তীব্র ব্যথা অনুভব হয়। আবার যদি কারো গলার টনসিল হয় অর্থাৎ ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সংক্রমণ হয়। এই বিষয়টির জন্য প্রদাহ ও ব্যথা বাড়তে পারে।

আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় এসিড রিফ্লেক্সের অর্থাৎ পেটের অ্যাসিড উপরে উঠে খাদ্যনালীতে। ফলে গলায় জ্বালা ও প্রদাহ তৈরি করে, যার ফলে ঢোক গিললে গলা ব্যথা অনুভব হয়। এরপরে এলার্জি ও শুষ্ক বাতাসের কারণে লক্ষ্য করা যায়। এলার্জিক রিয়াকশন বা শুকনো বাতাসে গলার  মিউকোষা শুকিয়ে দেয়। ফলে জ্বালাপোড়া অনুভব হতে পারে।

ঢোক গিলতে গলা ব্যথার ঘরোয়া উপায়

ঢোক গিলতে গলা ব্যথার ঘরোয়া উপায় আমরা এখন এ বিষয়টি বিস্তারিত জানবো। আসলে কিভাবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই সমস্যাটি ঘরোয়া উপায়ে দূর করা সম্ভব সে সম্পর্কে আমরা এখন জেনে নেব।  নিম্নে ঢোক গিলতে গলা ব্যথা হয় তা নিরাময় করার জন্য কয়েকটি ভালো ঘরোয়া উপায় উল্লেখ করা হলো-

প্রথম আমরা একটি কাজ করতে পারি, সেটা হচ্ছে আমরা লবণ পানি খেতে পারি। কিভাবে এটা খাবেন? প্রথমত আমাদেরকে পানি কুসুম কুসুম গরম করতে হবে। এরপরে সেই পানিতে আধা চামচ বা এক চামচ লবণ মিশাতে হবে। দিনে দুই থেকে চার বার গারগল করতে হবে। অর্থাৎ গড়্গড় করে কুলকুচা করতে হবে। এভাবে করলে খুব দ্রুততার সাথে আরাম পাওয়া যাবে।

আবার মধু ও লেবু শরবত যদি একসাথে একটি গরম পানিতে মিশনো হয় এবং সেই মধু ও লেবু মিশ্রিত পানি যদি পান করেন, তাহলে গলার ব্যথাটি আরাম পাওয়া যাবে। আরেকটি ঘরোয়া উপায়ের মধ্যে হলো আদা দিয়ে চা খাওয়া। অর্থাৎ এরকম হলে আপনি যদি আদা কুচি কুচি করে তা দিয়ে চা খান, তাহলে খুব সহজেই আপনারা এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

গলা ব্যথার সবচেয়ে ভালো প্রাথমিক ওষুধ কোনটি

গলা ব্যথার সবচেয়ে ভালো প্রাথমিক ওষুধ ডাক্তার পরামর্শ করেন তাহলো প্যারাসিটামল। এটা হালকা জ্বর ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় দেখা যায় যে আমাদের হঠাৎ করেই গলা ব্যথাটা শুরু হয়ে গেছে। তাই আমরা ঘরোয়া কিছু উপায়ের পাশাপাশি প্যারাসিটামল খায়। তাহলে এই ধরনের সমস্যা দ্রুততার সাথে সমাধান হয়।

আপনি যদি বাড়িতে বসে হলুদ মিশ্রিত দুধ পান করেন তাহলে এই সমস্যাটি থেকে আরাম পাবেন। গরম দুধের সাথে হালকা হলুদ যদি মিশিয়ে পান করেন, তাহলে গলার ভেতরে যদি কোন সংক্রমণের কারণে এরকম হয়ে থাকে, তাহলে সেটা থেকে আপনি মুক্তি পাবেন।

গলা ব্যথায় কোন অ্যান্টিবায়োটিক ভালো

গলা ব্যথায় কোন অ্যান্টিবায়োটিক ভালো এ বিষয়টি আমাদের জানা প্রয়োজন। অ্যান্টিবায়োটিক গলা ব্যথা নিরাময় করতে আর আপনাকে দ্রুত সুস্থ করতে সাহায্য করে। গলা ব্যাথার চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক গুলার মধ্যে রয়েছে পেনিসিলিন এবং অ্যামোক্সিসিলিন।

যাদের পেনিসিলিনে এলার্জি আছে তারা এই গলা ব্যথার চিকিৎসার জন্য সেফালেক্সিন ও অ্যাজিথ্রোমাইসিন বা ক্লিন্ডামাইসিন গ্রহণ করতে পারেন। এটা একটি অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ। তবে অত্যাধিক কোন সমস্যা থাকলে জরুরী ডাক্তারের সেবা ও পরামর্শ নিতে পারেন।

গলা ব্যথার কারণ ও প্রতিকার

গলা ব্যথার কারণ ও প্রতিকার এখন আমরা আলোচনা করব। গলা ব্যথার বিশেষ বিশেষ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গলা ব্যথার কারণ গুলো ও পাশাপাশি এর প্রতিকার তুলে ধরা হলো-
গলা-ব্যথার-কারণ-ও-প্রতিকার
গলা ব্যথার উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি কারণের মধ্যে রয়েছে প্রথমতই ভাইরাসজনিত সংক্রমণের কারণে হয়। আবার অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হয়। যেমন আমাদের ঠান্ডা লাগা সর্দি কাশি এগুলো ভাইরাসজনিত আবার টনসিলের কারণে যে ব্যাথা হয় সেটা ব্যাকটেরিয়ার জনিত।

এর পরের বিষয়টি হচ্ছে আমাদের অনেকেরই ধূমপান করার অভ্যাস রয়েছে। এই ধুমপান করার কারণে আমাদের অনেক সময় এই ধূমপানে থাকা বিষাক্ত নিকোটন শুষ্ক কাশি তৈরি করে যার ফলে আমাদের গলা ব্যথা হয়। এছাড়াও আমাদের অনেকেই এসিড রিফ্লেক্সের সমস্যা রয়েছে অর্থাৎ এটা হচ্ছে খাবার পেটের খাদ্যনালীর উপরে উঠে আসা। এই সমস্যা হলে গলা ব্যথা হয়।

এখন চলুন এই বিষয়গুলো এড়িয়ে চলতে অর্থাৎ এর প্রতিকার গুলো জেনে নেই। প্রথমে আমাদের সাধারণত সর্দি কাশি ঠান্ডা এ ধরনের ভাইরাস জনিত যখনই আক্রমণ হবে, সাথে সাথে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা হিসাবে প্যারাসিটামল খাব। এর পাশাপাশি আমরা তুলসী পাতা ও আদার রস বেটে কুসুম গরম পানির সাথে মিস করে খাব। এতে করে আমাদের গলা ব্যথাটা কমে যাবে।

আমরা যদি প্রথম প্রথমেই এ ধরনের প্রাথমিক চিকিৎসা গুলো করে থাকি তাহলে খুব সহজে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। তবে গুরুতর সমস্যা হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

আরেকটি বিষয় হচ্ছে আমরা যখন খাবার খাব তখন খাবারের আগে পানি পান করব এবং অতিমাত্রায় খাবার পরিহার করব। অর্থাৎ আমরা বেশি করে কোন খাবার খাব না তাহলে যে এসিডরিফ্লাক্স সমস্যা হয় তা আর হবেনা।

গলায় ইনফেকশন কি মারাত্মক

গলায় ইনফেকশন কি মারাত্মক? হ্যাঁ বন্ধুরা গলায় ইনফেকশন একটি মারাত্মক সমস্যা। গলায় ইনফেকশন হলে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি হতে পারে। শুধু গলা ব্যথায় নয় এর পাশাপাশি গলার মারাত্মক ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। তাই যদি গলায় ইনফেকশন হয় তবে অবশ্যই অভিজ্ঞ ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

গলা ব্যথা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। যদিও ভাইরাস জনিত সংক্রমণ এর সবচেয়ে সাধারণ কারণ। তবে তীব্র দীর্ঘ দীর্ঘস্থায় ব্যথা কোন বড় সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। যদি আপনার গলা ব্যথা তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে, তাহলে আপনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিবেন।

গলায় ইনফেকশন এর প্রধান কারণ সমূহ

গলায় ইনফেকশন এর প্রধান কারণ সমূহ এখন আপনাদের মাঝে বিষয়টি আলোচনা করা হবে। গলায় ইনফেকশন বা গলা ব্যথা হয় সাধারণত ভাইরাস যেমন ঠান্ডা বা ফ্লু বা ব্যাকটেরিয়া যেমন স্ট্রেপ থ্রোট সংক্রমণের কারণে হয়। এছাড়া এলার্জি, শুষ্ক বাতাস, ধোয়া, মুখে শ্বাস নেওয়া বা এসিডিটির কারণেও গলা প্রদাহ বা ইনফেকশন হয়ে থাকে।

গলা ইনফেকশনের প্রধান কয়েকটি কারণ রয়েছে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভাইরাসজনিত কারণ। সাধারণ সর্দি কাশি ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ধরনের সমস্যার জন্য ইনফেকশন হতে পারে। আবার ব্যাকটেরিয়াজনিত যেমন স্ট্রেপ্টোকোকাস নামক ব্যাকটেরিয়া কারণে গলায় বড় ধরনের ইনফেকশন হতে পারে।

আবার অনেক সময় গলায় ইনফেকশন হয় অ্যালার্জি ও পরিবেশগত কারণে যেমন- ধূলিকণা, পরাগরেণু, পোষা প্রাণীর লোম বা এলার্জির কারণে গলায় চুলকানো ও শুষ্কভাব হতে পারে। আরেকটি  বিষয়ে দেখা যায় যে যারা ধূমপান ও দূষণের ভেতর থাকে তাদের ক্ষেত্রে সিগারেটের দোয়া ও বাতাসে দূষিত কণা গলায় জ্বালাতন ভাব সৃষ্টি করে বা ইনফেকশনে সৃষ্টি হয়।

অ্যাসিডিটির কারণে যেমন গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ। অর্থাৎ অ্যাসিডিটির কারণে পাকস্থলীর এসিড উপরে উঠে গলায় জ্বালাপোড়া ও প্রদাহ তৈরি করে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে কণ্ঠস্বরে অতিরিক্ত ব্যবহার। অনেকেই আমরা খুব জোরে জোরে চিৎকার অনেকক্ষণ ধরে কথা বলি। যার ফলে পেশীতে টান লেগে এ গলায় ব্যথা হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে গলায় ইনফেকশনের সম্ভবনা নেই।

কি খেলে গলা পরিষ্কার হয়

কি খেলে গলা পরিষ্কার হয় আসুন এবার এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত জেনে নেই। কিছু ক্ষেত্রেই বা অনেক কিছু জিনিস আছে যা পান করলে বা গার্গল করলে অনেকটাই গলা পরিষ্কার সম্ভব হয়। অনেক সময় দেখা যায় আমাদের গলা পরিষ্কার হয় না অর্থাৎ কফ বা প্লেশা থাকে।

আমাদের এ ধরনের সমস্যা হলে যেগুলো খেলে আমাদের গলা পরিষ্কার হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গরম কুসুম পানি এর সাথে মধু ও লেবুর মিশ্রণ। এগুলো দিয়ে গার্গল করলে গলা পরিষ্কার হয়।  আবার যদি আদা চা এবং লবণ পানি দিয়ে গার্গল করি তাহলে গলা পরিষ্কার করতে এটি বেশ বা অত্যন্ত কার্যকরি।

এছাড়াও আমরা আদা, লবঙ্গ, তুলসী পাতা ও গরম খুব পান করে গলা পরিষ্কার রাখতে পারি। আমরা যদি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করি তাহলে আমাদের গলার মিউকাস পাতলা করে বের করে দিতে সাহায্য করে।

লেবু খেলে কি গলা ব্যথা কমে

লেবু খেলে কি গলা ব্যথা কমে চলুন এই বিষয়টি এখন আমরা জেনে নেই।
লেবু-খেলে-কি-গলা-ব্যথা-কমে
কিছু কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, গলা ব্যথা সহ উর্ধ্বশ্বাসনালীর সংক্রমনের ( URTI ) উপসর্গ কমাতে লেবুতে থাকা রস (সাইট্রাস লিমোন) একটি প্রচলিত ঘরোয়া প্রতিকার। লেবুর রস বা পানির মিশ্রণ গলা ব্যথা সারাতে সাহায্য করে। এর মূল কারণ হচ্ছে এতে থাকা ভিটামিন সি এবং অন্যান্য এন্টিঅক্সিডেন্টের এটি একটি ভালো উৎস।

গলা ব্যথা দ্রুত আরামের ১০ টি ঘরোয়া উপায়

গলা ব্যথা দ্রুত আরামের ১০ টি ঘরোয়া উপায়-
  • বাষ্পে ভাপ নেওয়া, অর্থাৎ গরম পানির ভাপ গলার ভেতরে নেওয়া
  • গলায় লজেন্স বা আদা চিবানো, লজেন্স বা আদা চিবালে আমাদের লালা তৈরি করে, যা গলা ভেজা রাখে। ফলে গলা ব্যথা দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।
  • কন্ঠস্বর বিশ্রাম দেওয়া।
  • ধূমপান ও অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকা।
  • আরামদায়ক খাবার খাওয়া, অর্থাৎ নরম গরম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া।
  •  হলুদ ও দুধ একসাথে খাওয়া
  • পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল পানি পান করা
  • আদা দিয়ে চা খাওয়া
  • লবণ কুসুম গরম পানি দিয়ে গার্গল করা
  • যষ্টি মধু চিবিয়ে খেলে বা চা দিয়ে খেলে গলা ব্যথা দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।

গলা ব্যথা হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত

গলা ব্যথা হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত এটা কোন গুগলে সার্চ করে জানার বিষয় নয়। এটা অনেকেই সার্চ করে থাকে। আসলে এই কাজটা করা একদমই ঠিক নয়। আমরা অবশ্যই গলা ব্যথার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসাটা নিতে পারি, কিন্তু গুরুতর চিকিৎসার জন্য অবশ্যই আমাদেরকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরামর্শ নিতে হবে।

প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে আপনি ঘরোয়া উপায় গুলো নিতে পারেন। এছাড়া প্রাথমিক ওষুধ হিসেবে আপনি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। প্যারাসিটামল ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

শেষ কথা

পরিশেষে শুধু আপনাদের আমি একটি কথাই বলতে চাই যে এটি শুধু প্রাথমিক চিকিৎসায় হিসেবে ঘরোয়া উপায় গুলো নিতে পারেন। খুব গুরুতর কোন সমস্যা হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জিনেউস আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url