চর কুকরি মুকরি যাওয়ার উপায়: জেনে নিন এটা কোথায় অবস্থিত
চর কুকরি মুকরি যাওয়ার উপায় অনেকেই আপনারা এ বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চান। আসলে কিভাবে চর কুকরি মুকরি যেতে হয়? সেই সাথে এটার সঠিক অবস্থান কোথায় এবং এখানে আসলে কি কি দর্শনীয় স্থান রয়েছে? সে সম্পর্কে আসলেই অনেকেই জানতে চান।
কোথায় কোথায় দর্শনীয় স্থান রয়েছে? কোথায় থাকবেন, কিভাবে যাবেন? কত টাকা কিভাবে গেলে খরচ হবে সে সবকিছুই এই আর্টিকেল থেকে আপনারা জানতে পারবেন। তাই সব কিছু বিষয় জানতে বুঝতে হলে অবশ্যই ধারাবাহিকভাবে আর্টিকেলটি পড়তে হবে।পেজ সূচিপত্রঃ চর কুকরি মুকরি যাওয়ার উপায়: জেনে নিন এটা কোথায় অবস্থিত
চর কুকরি মুকরি যাওয়ার উপায়
চর কুকরি মুকরি যাওয়ার উপায় জানতে হলে আপনাকে আগে বেছে নিতে হবে আসলে আপনি কিভাবে যাবেন? অর্থাৎ আপনি কি নদী পথে যাবেন না স্থলপথে যাবেন। আবার আরেকটি বিষয় হচ্ছে আপনি ঢাকা থেকে যেতে পারবেন, আবার ভোলা থেকেও যেতে পারবেন। তাহলে এ থেকে বোঝা যায় যে আমরা ঢাকার বাইরে যারা থাকি তাদেরকে ঢাকায় প্রথমে আসতে হবে। এরপরে সেখান থেকে রওনা দিতে হবে।
চর কুকরি মুকরি যেতে হলে আপনাকে ঢাকা বা বরিশাল থেকে ভোলা হয়ে যেতে হবে। যদি নদীপথে যান সেখানে প্রথমে বেতুয়া বা ইলিশাঘাট পর্যন্ত সড়কপথে এসে তারপরে লঞ্চে বা টলারে বা মটরবোটে যেতে পারেন। ঢাকা সদরঘাট থেকে বেতুয়া পর্যন্ত লঞ্চে এরপর কচ্ছপিয়া ঘাট থেকে বোটে যেতে পারেন। আবার ভোলা থেকে সরাসরি জলপথ ও সড়কপথ হয়ে যাওয়া যায়।
তো চলুন এবার জেনে নেই নদীপথে ঢাকা থেকে যাওয়ার উপায়-
প্রথমে আপনাকে ঢাকা সদরঘাট থেকে ভোলাগামী লঞ্চে উঠতে হবে এবং সেই সাথে বেতুয়া লঞ্চে নামতে হবে লঞ্চের ভ্রমণ আসলে অনেক আনন্দদায়ক ও আরামদায়ক। এরপর বেতুয়া ঘাট থেকে কচ্ছপিয়া যেতে হবে। কিভাবে যাবেন? বেতুয়া লঞ্চঘাট থেকে বাইক বা সিএনজি অথবা অটোতে করে আপনি কচ্ছপিয়া ঘাটে যেতে পারবেন। এতে আপনার সময় লাগতে পারে প্রায় এক ঘন্টা।
এবার চলুন জেনে নেই ভোলা থেকে যাওয়ার উপায়-
ভোলা শহর থেকে সড়ক পথে অটো বা সিএনজি করে প্রায় আড়াই ঘন্টা রাস্তা হয়ে যেতে পারেন। আর যদি নদীপথে যেতে চান তাহলে ভোলা থেকে দক্ষিনে ইলিশা ফেরিঘাট হয়ে কচ্ছপিয়া ঘাটে আসতে পারেন। এরপর কচ্ছপিয়া ঘাট থেকে ট্রলার বা নৌকায় করে ৩০ মিনিট পার হলেই কাঙ্ক্ষিত চর কুকরি মুকরি পৌঁছানো যায়।
চর কুকরি মুকরি কোথায় অবস্থিত
চর কুকরি মুকরি যাওয়ার উপায় এই আর্টিকেল থেকে এখন আমরা জানবো আসলে এর নির্দিষ্ট স্থানটি কোথায়? অর্থাৎচর কুকরি মুকরি কোন জায়গায় অবস্থিত বা কোথায় অবস্থিত নিম্নে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-
চর কুকরি মুকরি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে- ভোলা জেলার, (চরফ্যাশন উপজেলার) বঙ্গোপসাগরের কোলঘেষে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত। এটি একটি নয়ন জুড়ানো দ্বীপ। এটি ম্যানগ্রোভ বন, বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বেশ পরিচিত। এটি একটি সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী অভয়রণ্য। এটি ভোলা সদর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে।
এর মূল অবস্থান হচ্ছে ভোলা জেলার, চরফ্যাশন উপজেলা, বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের উপকূলে। এর বিশেষত্ব হচ্ছে এটি একটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ম্যানগ্রোভ বন। অতিথি পাখি ও বন্যপ্রাণীর আশ্রয় স্থল বা আবাসস্থল। এর মূল পরিচিতি বলতে গেলে এটি বাংলাদেশের লুকানো স্বর্গ এবং এটি মিনি সুন্দরবন নামে পরিচিত।
চর কুকরি মুকরি বন্যপ্রাণীর জন্য অভয়ারণ্য, যা বাংলাদেশের একটি দর্শনীয় স্থান। এটা ভোলা জেলার অন্তর্গত। এটি আমাদের দেশের রাজধানী ঢাকা হতে ২২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। বর্তমানে চর কুকরি মুকরি বনভূমির পরিমাণ প্রায় ৮৫৬৫ হেক্টর। যার মধ্যে প্রায় ২১৭ হেক্টর জমি বন্য প্রাণীর আশ্রয় স্থল বা থাকার জায়গা।
চর কুকরি মুকরির আয়তন
চর কুকরি মুকরি যাওয়ার উপায় এই আর্টিকেলে এখন আমরা জানবো এই সুন্দর এলাকার মোট আয়তন কত? চর কুকরি মুকরি বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত। ভোলা জেলার চর কুকরি মুকরি ইউনিয়নের একটি দ্বীপ। এটি ভোলা জেলার সবচেয়ে দক্ষিণের অংশ। এই দ্বীপটি ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ৯.৫ কিলোমিটার প্রশস্ত জুড়ে অবস্থিত। এর মধ্যে চর কুকরি মুকরি মোট এলাকা হলো ২৫ বর্গ কিলোমিটার।
এ সুন্দর দ্বীপটির মোট আয়তন তাহলে বোঝা যাচ্ছে ২৫ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে এর দৈর্ঘ্য ১০ কিলোমিটার, প্রস্থ প্রায় ৯.৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে ম্যানগ্রোভ বাগান রয়েছে প্রায় ২০ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে চর কুকরি মুকরি বনভূমির মোট পরিমাণ ৮৫৬৫ হেক্টর। যার মধ্যে রয়েছে ২১৭ হেক্টরি বন্যপ্রাণীর আশ্রয়স্থল বা আবাসস্থল।
চর কুকরি মুকরি অনেক দুর্গম একটি এলাকা যার কারণে এখানে লোক বসতি খুবই কম। আবার বছরের বেশিরভাগ সময়ে এখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগে থাকে বলে এখানে লোক বসতি খুবই কম। এখানকার যারা বসতি রয়েছে তাদের প্রধান কর্ম বা প্রধান পেশা হচ্ছে জেলে অর্থাৎ যারা মাছ ধরে বিক্রি করে জীবন যাপন করে থাকে।
চর কুকরি মুকরি কিভাবে যাবেন?
চর কুকরি মুকরি যাওয়ার উপায় এই কনটেন্ট থেকে এখন আমরা সম্পূর্ণ জানব কিভাবে চর কুকরি মুকরি যাবেন। নদীপথে চর কুকরি মুকরি যাওয়ার দুইটি উপায়ে রয়েছে। ঢাকার সদরঘাট থেকে ভোলা গামী লঞ্চে চড়ে ঘোষেরহাট লঞ্চ টার্মিনাল নেমে সরাসরি লেগুনা ভাড়া করে চর কচ্ছপিয়া আসতে পারেন। আবার ভোলা থেকে সরাসরি যেতে পারেন।
সর্বপ্রথম আপনাকে যেতে হবে, যদি ঢাকায় থাকেন তাহলে ঢাকা থেকে ভোলা গামী লঞ্চে উঠতে হবে এরপর ভোলায় যাওয়ার পরে বেতুয়াঘাটে যেতে হবে। সেখান থেকে চরফ্যাশানে আসতে হবে। চরফ্যাশন বাজার থেকে আপনি বিভিন্ন উপায়ে যেতে পারবেন। বাইক, বাস অথবা অটোতে করে যেতে পারেন।
এতে আপনার বাসে ভাড়া পরবে জনপ্রতি ৫০ টাকা, অটোতে পরবে ১২০ টাকার মতন এবং বাইকে ২০০ টাকা জনপ্রতি। তবে বাস সরাসরি কচ্ছপিয়া ঘাটে যায় না। তাই অটো বা বাইকে যাওয়া ভালো হবে। কচ্ছপিয়া ঘাটে থেকে আপনি স্পিডবোটে বা ট্রলার বা লঞ্চে করে যেতে পারবেন। স্পিড বোর্ডে আপনার ভাড়া নেবে ২০০ টাকা, ছোট লঞ্চে ভাড়া নিবে ৫০ টাকা, আর যদি ট্রলারে যান তাহলে ভাড়া নেবে জনপ্রতি ৭০ টাকা করে।
এরপরে চর কুকরি মুকরি ঘাটে নামার পরে আপনাকে এখান থেকে বাইক বা অটো করে যেতে হবে ডাকায়ত্তা ঘাটে। এরপরে এখান থেকে পৌঁছাতে পারবেন নারিকেল বাগান। এখান থেকে আপনাকে ভিতরে যেতে হলে হেঁটে যেতে হবে। এর কারণ হলো এর পথ হল দুর্গম পদ অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট আপনাকে হেঁটে হেঁটে যেতে হবে।
সামনে ছোটখাটো একটি বাঁশের সাঁকো দেখতে পাবেন। সেই সাঁকো পার হয়ে যেতে হবে আঁকাবাঁকা পথ পিচ্ছিল পথ সাবধানে পথ পাড়ি দিতে হবে। এ পাশ দিয়ে হাঁটলে মনে হবে যেন আশেপাশের গাছ গোছালি দেখে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে হাঁটছেন। এরপর দেখা মিলবে সেই কাঙ্ক্ষিত নারকেল বাগান।
চর কুকরি মুকরি দর্শনীয় স্থান
চর কুকরি মুকরি যাওয়ার উপায় আর্টিকেল থেকে এখন আমরা জানবো চর কুকরি মুকরি সবচেয়ে সুন্দর দর্শনীয় স্থানগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত। ম্যানগ্রোভ বনের মতন সুন্দরী, গেউয়া ও কেউরা গাছ রয়েছে। আরও রয়েছে বাদাম গাছের সারি। পাখির কলতান, লাল কাঁকড়া, নারিকেল বাগান, সেই সাথে সাগরের ঢেউ কুলো কুলো শব্দ, মনোরম সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। আরও রয়েছে সবুজ সৈকত- প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক অসাধারণ স্থান।
মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত নানা ধরনের বন্যপ্রাণী ও পাখি দেখা যায়। এখানে সুন্দরী, গেউয়া, পশুর, কেউড়া, গাছের ঘন ঘন সারি, সবুজ পরিবেশ যা অন্য এক সুন্দরবনের আমেজ দেয়। বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আনাগোনা এখানে রয়েছে। নদী ও সাগরের মিলনের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। বিশেষ করে নারকেল বাগান সাগরের পাশে। চমৎকার ম্যানগ্রোভ বনের মাঝে নারিকেল বাগান ও সাগরের পাশে সবুজ সৈকত এক ভিন্ন রূপ ধারণ করে।
যা ক্যাম্পেইনের জন্য চমৎকার বালুকাময় সৈকত। লাল কাঁকড়া ছুটে চলে দেখতে পাওয়া যায়। এখান থেকে পুরো চরের ভিউ পাওয়া যায়। এখানে একটি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে তবে এখন এটা বন্ধ। এছাড়া এর আশেপাশের জায়গাগুলো অনেক মনোরম আপনি নৌকা ভ্রমণ করে এর আশেপাশের জায়গা গুলো দেখতে পারবেন।
এখান থেকে আপনার যেতে পারবেন মনপুরা জায়গায়। বাংলাদেশে এই জায়গা নিয়ে একটি সিনেমা তৈরি করা হয়েছে। সিনেমার নামটি মনপুরা। ভোলা থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে এই মনপুরা জায়গাটি। মনপুরাতে যেতে হলে আপনাকে আবার কচ্ছপিয়া ঘাটে আসতে হবে। সেখান থেকে আপনাকে যেতে হবে শুলিস বাজার। ভোলা জেলার দক্ষিণ পূর্বে মেঘনা নদীর মোহনায় প্রায় ৩৭৩ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে এই দ্বীপটি বিস্তৃত।
এরপরে আপনার দেখা মিলবে জনতা ঘাট এতে আপনি মাঝ নদী বরাবর যেতে যেতেই দেখা মিলবে এই জনতা ঘাটের। এখান থেকে আপনি বাইকে করে মনপুরাতে যেতে পারবেন বাইকে খরচ হতে পারে আপনার যাওয়া আসে মিলে ১৫০০ টাকার মতন। মনপুরা এই জায়গাটির নামকরণ করা হয়েছে মন গাজী এক মানুষের নাম থেকে। কথিত রয়েছে মনগাজী নামের লোকটি এখানে বাঘের কারণে মারা যায়। এরপর থেকেই এই জায়গার নাম মনপুরা। জায়গাটি অনেক সুন্দর ও মনোরম।
চর কুকরি মুকরি হোটেল
এখানে তেমন কোন হোটেল পাবেন না। এই জাগাতে থাকতে হলে আপনাকে কোন লোকের মাধ্যমে সবকিছু ঠিক করে নিতে হবে। অর্থাৎ আপনি যদি এখানে রাতে সময় কাটাতে চান তাহলে এখানে তাঁবুর ব্যবস্থা করে দেয়। এ তাবুর কোয়ালিটি অনুযায়ী দাম হয়। অর্থাৎ যদি আপনি একজন অথবা দুইজন হন তাহলে কম ভাড়া হবে। আবার আট দশ জনের জন্য একটি বড় তাবু বেশি ভাড়া হবে।
ছোট তাবু থেকে বড় তাবু বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে। ছোট তাবু গুলো ৩০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। আর বড় তাবু গুলো ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার ভেতরে পাওয়া যায়। এখানে একমাত্র রাত্রী যাপন করার বা থাকার ব্যবস্থা হচ্ছে তাবু। অন্য কোন ধরনের এখানে তেমন কোন বিল্ডিং গড়ে ওঠেনি। কেননা এটি অনেক দুর্গম একটি এলাকা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক ক্ষয় ক্ষতি হয়।
যার ফলে এখানে পর্যটনদের জন্য তেমন কোন ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়নি। একটি বিষয় আপনাদের মনে রাখতে হবে এখানে গ্রামীণফোন ছাড়া অন্য কোন ধরনের নেটওয়ার্ক থাকে না। এখানে একটি জায়গা রয়েছে সেখানে আপনার মোবাইল অন্যান্য ডিভাইসকে চার্জ দিয়ে নিতে পারেন। চার্জ নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রত্যেকটির জন্য ত্রিশ টাকা করে দিতে হবে।
চর কুকরি মুকরি ভ্রমণের উপযুক্ত সময়
অনেকেই মনে করতে পারেন এই চর কুকরি মুকরি জায়গার আবার ভ্রমণের উপযুক্ত সময় কেমন? আসলে এটা এমন একটি দুর্গম জায়গা, এই জায়গাতে যেকোনো সময় আপনি যেতে বা ভ্রমণ করতে পারবেন না। এর জন্য আপনাকে সঠিক সময় বেছে নিতে হবে। এই সঠিক সময়টি আপনাদের মাঝে এখন তুলে ধরা হলো-
চর কুকরি মুকরি ভ্রমণের উপযুক্ত সময় হচ্ছে নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত। কারণ এই সময় প্রকৃতির একটি ভালো ভিউ পাওয়া যায়। ঝড় বৃষ্টি থাকেনা। আপনি যদি গ্রীষ্মকালীন সময় বা অন্য কোন সময় যান তাহলে আপনি সেখানে ভালোভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন না। অর্থাৎ আমি বোঝাতে চাচ্ছি যে আপনি যত শীতে যাবেন তত আপনার জন্য এই ভ্রমণটা অনেক ভালো হবে।
যেহেতু গ্রীষ্মকালীন সময়ে ঝড় পানি হয়, ফলে ভ্রমণ করে শান্তি হয়না। এগুলোর কারণে গ্রীষ্মকালীন সময়ে না যায় ভালো। কারণ অনেক বৃষ্টি হবে এবং ভ্রমণটা ঠিকভাবে হবে না। তাই আমি মনে করি উপযুক্ত সময় নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত। তবে আপনি জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এসব মাসে একটু বেশি ভ্রমণের চেষ্টা করবেন।
শেষ মন্তব্য
চর কুকরি মুকরি সুন্দর একটি জায়গা এখানে আপনারা ভ্রমণ করতে পারেন। এখানে আর নানা ধরনের পশু পাখির কন্ঠ, নদীর মনোরম দৃশ্য, নদী ও সাগরের আশেপাশের সবুজ প্রকৃতি সবকিছু মিলে আপনাকে অনেক ভালো লাগবে।
এখান থেকে বিভিন্ন দর্শনীয় জায়গা রয়েছে। প্রত্যেকটি জায়গায় অনেক সুন্দর ও মনোরম। আপনার যদি মন খারাপ হয়ে থাকে, তাহলে এই সকল জায়গাতে যদি আপনি ঘুরতে যান আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। এসকল জায়গা দুর্গম হলেও অনেক বেশি সুন্দর।


জিনেউস আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url