গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা হলে কি খাবার খাওয়া উচিত-গর্ভাবস্থায় হিমোগ্লোবিন কত হলে রক্ত দিতে হয়

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা হলে কি খাবার খাওয়া উচিত, অনেক মা এ বিষয় সম্পর্কে দুশ্চিন্তা বোধ করেন। কিন্তু আসলে দুশ্চিন্তা না করে, সঠিক খাবার খেলে গর্ভাবস্থায় এমন ধরনের সমস্যা খুব সহজেই সমাধান হবে।

গর্ভাবস্থায়-রক্তশূন্যতা-হলে-কি-খাবার-খাওয়া-উচিতঅনেক মা গর্ভাবস্থায় যখন রক্তশূন্যতায় ভুগে, তখন তারা মনে করে যে আমাদের শরীরে বড় ধরনের হয়তোবা কিছু হয়েছে? আসলে তা নয়, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং সঠিক খাবার একজন গর্ভবতী মাকে সবদিক থেকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক করে তোলে।

পেজ সূচিপত্রঃ গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা হলে কি খাবার খাওয়া উচিত-গর্ভাবস্থায় হিমোগ্লোবিন কত হলে রক্ত দিতে হয়

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা হলে কি খাবার খাওয়া উচিত

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা হলে কি খাবার খাওয়া উচিত অনেক মা এ বিষয়ে সম্পর্কে সুনিশ্চিত নয়। যে আসলে কোন ধরনের খাবার খেলে খুব দ্রুততার সাথে গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা দূর হয়। যখন একজন মা গর্ভবতী হয় তখন তাকে বাড়তি পুষ্টি ও বাড়তি চাহিদা প্রয়োজন হয়। যার কারণে সঠিক খাবারটি এ সময় খুব প্রয়োজন।

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা হচ্ছে অ্যানিমিয়া অর্থাৎ আয়রন, ফলিক এসিড ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া উচিত। পাশাপাশি চিকিৎসকের দেওয়া আয়রন ও ফলিক এসিড ট্যাবলেট  নিয়মিত খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি স্নাক্স হিসেবে খেজুর ও কিসমিস খেতে পারেন।

এ সময় আপনি পালংশাক, লাল শাক, ডাল এ ধরনের খাবার খেতে পারেন। এর পাশাপাশি ডিম, গরুর কলিজা খেতে পারেন। তবে এর সাথে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কোন ফল খেলে আরো তাড়াতাড়ি আয়রন শোষিত হয়। যেমন এর সাথে যদি আপনি লেবু খান তাহলে আপনার শরীরে তাড়াতাড়ি
আয়রন শোষিত হবে।

যে লক্ষণগুলো দেখে বুঝবেন রক্তশূন্যতা হয়েছে

যে লক্ষণগুলো দেখে বুঝবেন রক্তশূন্যতা হয়েছে, চলুন এ বিষয়টি এবার বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। আয়রনের ঘাটতি হলে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে সাধারণ লক্ষণ ও গুরুতর যদি ঘাটতি এবং বেশ কিছু বিশেষ লক্ষণ দেখা যায়।

একজন গর্ভবতী মায়ের যদি আয়রনের ঘাটতি থাকে তাহলে যে সকল সাধারণ লক্ষণ গুলো দেখা যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সব সময় দুর্বল বা ক্লান্ত লাগা, মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম করা, সামান্য কাজের শ্বাসকষ্ট হওয়া, মাথাব্যথা হওয়া, বুক ধরফর করা বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া বা বিরক্ত লাগা, হাত পা ঠান্ডা থাকা, মুখ ঠোট চোখের নিচের অংশ বা নখ ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া।

এছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি রয়েছে যেমন- অল্প হাটলে খুব বেশি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, বারবার অজ্ঞান হওয়ার মতো অনুভূতি এবং খুব বেশি দুর্বল হয়ে পড়া। এর সাথে বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখা যায় যেমন- বরফ, মাটি, কাঁচা চাল বা চক খেতে ইচ্ছে করা। এটিকে পাইকা ( Pica ) বলা হয়। নখ পাতলা চামড়ার মত বাঁকা হয়ে যাওয়া, জিব্বা ব্যথা বা মসৃণ হয়ে যাওয়া, চুল বেশি পরা, মুখের কোণে ঘা হওয়া।

তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন, শুধু লক্ষণ দেখে নিশ্চিতভাবে আয়রনের ঘাটতি বলা যায় না। নিশ্চিত হওয়ার জন্য রক্ত পরীক্ষা বিশেষ করে হিমোগ্লোবিন এবং প্রয়োজনে সিরাম ফেরিটিন পরীক্ষা করতে হবে। যদি একজন গর্ভবতী মা শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা এবং মাথা ঘুরে বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মত লক্ষণ থাকে তাহলে অবশ্যই দূরত্ব চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।

যে সকল খাবারে রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি করে

যে সকল খাবারে রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি করে এ সম্পর্কে যদি একজন গর্ভবতী মায়ের সঠিক জ্ঞান থাকে তাহলে রক্তশূন্যতা থেকে এসে খুব দ্রুততার সাথে বেড়ে আসতে পারবে। অর্থাৎ তার শরীরে খুব তাড়াতাড়ি রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি হবে এবং রক্তের ঘাটতি বা রক্ রক্তশূন্যতা পূরণ হবে।

রক্ত উৎপাদন বাড়াতে শরীরে মূলত আয়রন, ফলিক এসিড ও ভিটামিন বি ১২, প্রোটিন এবং ভিটামিন সি খুব প্রয়োজন। এ ধরনের খাবারগুলো নিয়মিত খেলে রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি হয় খুব দ্রুততার সাথে। এ সময় একজন মা যে সকল খাবার গ্রহণ করতে পারে। আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যেমন- যদি নিরামিষ হয় কোন মা তাহলে অবশ্যই তাকে পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক, ডাল, ছোলা, মসুর ডাল, সয়াবিন এগুলো খেতে পারেন।

আর যদি কেউ নিরামিষভোগী না হয়, তাহলে গরুর কলিজা (পরিমিত ঘন ঘন নয়) চর্বিহীন গরু ও খাসির মাংস, ডিম এর পাশাপাশি ছোট মাছ খেতে পারেন। সয়াবিন, খেজুর, কিসমিস, এগুলো খেতে পারেন। আর ফলিক এসিড সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে সবুজ শাকসবজি, ব্রকলি, ডাল, এভোকেডো, কমলালেবু।

এগুলোর সাথে অবশ্যই ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কিছু খাবারের মধ্যে রয়েছে যেগুলো খুব ভালোভাবে শরীরে আয়রন শোষিত করে।  সেগুলোর ভিতরে রয়েছে কমলা, মালটা, লেবু, আমলকি, পেয়ারা।

রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি

রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য খুবই প্রয়োজন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি আয়রন শোষণ বাড়ায়। ফলে শরীরে দ্রুততার সাথে রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি ঘটে এবং দ্রুততার সাথে রক্তশূন্যতা ঘাটতি পূরণ হয়।
রক্ত-উৎপাদন-বৃদ্ধিতে-ভিটামিন-সি-সমৃদ্ধ-ফল-ও-সবজি
রক্ত উৎপাদনে ভিটামিন সি সরাসরি রক্ত তৈরি করে না। তবে খাবারের আয়রন শরীরে ভালোভাবে শোষিত হতে সাহায্য করে। তাই আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে ভিটামিন সি যুক্ত ফল বা সবজি খাওয়া যায়, তাহলে এটা একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য খুবই উপকারী।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলের মধ্যে রয়েছে যেমন- লেবু, কমলা, মাল্টা, আমলকি, পেয়ারা, পাকা আম, আনারস, স্ট্রবেরি, কিউই, কালোজাম আর ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজির মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছে- ক্যাপসিকাম, টমেটো, ব্রোকলি, বাঁধাকপি, ফুলকপি, কাঁচা মরিচ।

আপনি একটি কাজ করে খেতে পারেন সেটা হচ্ছে ডাল, শাক, মাছ, মাংস এর সঙ্গে লেবুর রস যোগ। আর খাবারের পর একটি পেয়ারা অথবা একটি কমলা মানে ফলগুলো খেতে পারেন। আমলকি কাঁচা বা আচার অথবা জুস হিসেবে খেতে পারেন।

যে খাবার খেলে আয়রন শোষণ কমে যায়

যে খাবার খেলে আয়রন শোষণ কমে যায়, চলুন এবার এ বিষয়টি বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। একজন গর্ভবতী মা যদি আয়রনসমৃদ্ধ খাবার বা আয়রন ট্যাবলেট খাওয়ার সময় কিছু খাবার বা পানীয় পান করে বা খায় তাহলে আয়রন শোষণ কমিয়ে দিতে পারে।

যে সকল খাবার বা পানীয় আয়রন শোষণ কমিয়ে দিতে পারে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে চা। কালো চা বা সবুজ চা এগুলোতো ট্যানিন আয়রন শোষণ কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া কফি, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার যেমন- দুধ, দই, পনির এগুলো ক্যালসিয়াম জাতীয়। যা আয়রন শোষণে বাধা দিতে পারে।

অতিরিক্ত ভূষিযুক্ত শস্য যেমন- ব্রান, এতে ফাইটেটের কারণে আয়রন শোষণ কমাতে পারে। আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, কাঁচা বা ঠিকমতো ভিজিয়ে বা রান্না না করা ডাল শস্য। যা ফাইটেটের কারণে আয়রন শোষণ কিছুটা কমতে পারে।

সাতদিনের একটি সহজ খাবারের তালিকা

সাত দিনের একটি সহজ খাবারের তালিকা এখন আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করা হবে। এটা একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য খুবই ভালো। এই রুটিনে সাতটি দিন কিভাবে আয়রনের ঘাটতি দ্রুত কমাবেন রক্তশূন্যতা কিভাবে পূরণ করবেন তার একটি সুন্দর সমাধান। আমি এমনভাবে রুটিন করে দেব এই রুটিন অনুযায়ী যদি খান, তাহলে খাবারের প্রতি অনীহাও থাকবে না।

দিন সকাল দুপুর বিকেল রাত
১ম দিন রুটি দুইটি, একটি পেয়ারা, একটি সিদ্ধ ডিম ভাত, মসুরের ডাল, পালং শাক, মাছ এক মুঠো খেজুর ও কিসমিস ভাত, মুরগির মাংস, টমেটো সালাদ
২য় দিন ছোলা, সিদ্ধ ডিম ও একটি কমলা ভাত, লাল শাক, গরুর মাংস (পরিমিত) আমলকি বা লেবুর শরবত (কম চিনি প্রয়োগ করে) ডাল, সবজি, মাছ
৩য় দিন রুটি বা ওটস, দুধ (আয়রন ট্যাবলেট এর সময় নয়) ভাত, কলমি শাক, ডাল ও মাছ পেয়ারা মুরগির মাংস ও সবজি
চতুর্থ দিন রুটি, ডিম ও একটি মাল্টা ভাত, লাল শাক, ডাল ও ছোট মাছ খেজুর তিন থেকে সাতটি ভাত, ডাল ও সবজি
৫ম দিন ছোলা ও লেবু ভাত, পালং শাক, গরুর মাংস (পরিমিত) কমলা মাছ, সবজি ও ডাল
ষষ্ঠ দিন রুটি, একটি সিদ্ধ ডিম, পেয়ারা ভাত, ডাল, মুরগির মাংস ও শাক আমলকি মাছ ও সবজি
৭ম দিন ডিম, রুটি, কমলা ভাত, ডাল, পালং শাক ও মাছ খেজুর ও কিসমিস মুরগির মাংস ও সবজি

একটি বিষয় সবসময় পালন করার চেষ্টা করবেন প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করবেন।

আরও পড়ুনঃ হাঁসের মাংস খেলে মহাবিপদে পড়বেন এই ৬ জন

যে বিষয়গুলো থেকে সতর্ক থাকতে হবে

যে বিষয়গুলো থেকে সতর্ক থাকতে হবে আপনাকে জানতে হবে এবং বুঝতে হবে ও মেনে চলতে হবে। আপনি যদি এ সকল বিষয়গুলো সতর্কতা অবলম্বন না করেন তাহলে আপনারই শরীরে সমস্যা হবে। যেহেতু আপনি একজন গর্ভবতী মা, এমতাবস্থায় আপনাকে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
যে-বিষয়গুলো-থেকে-সতর্ক-থাকতে-হবে
সর্বপ্রথম আপনাকে উপরে বর্ণিত যেগুলো আয়রন শোষণ কমিয়ে দেয়, সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। ঐ সকল ফলমূল শাক সবজি এবং অন্যান্য জিনিস খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এর পাশাপাশি যেগুলো উপরে বর্ণিত রয়েছে, খাবার খেলে শরীরে রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি হবে সেগুলো খাবার খেতে হবে।

সব সময় নিজেকে দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হবে। অযথাই কোন কাজ করা যাবে না। যে কোন জরুরী চিকিৎসা প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। 

গর্ভাবস্থায় হিমোগ্লোবিন কত হলে রক্ত দিতে হয়

গর্ভাবস্থায় হিমোগ্লোবিন কত হলে রক্ত দিতে হয় চলুন এবার এ বিষয়টি জেনে নেওয়া যাক। গর্ভাবস্থায় হিমোগ্লোবিন কম থাকলে শুধু খাবারে যথেষ্ট হয় না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আয়রন ও ফলিক এসিড ট্যাবলেট খাওয়া বেশ প্রয়োজন। 

যদি হিমোগ্লোবিন খুব কম হয় যেমন সাত গ্রাম ডেসি লিটারের নিচে- তখন শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বলতা থাকে তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কখনো কখনো আয়রন ইনজেকশন বা রক্ত দেয়ার প্রয়োজনও হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় সবসময় শুধু হিমোগ্লোবিন অর্থাৎ এইচবি( Hb ) দেখে রক্ত দেওয়া হয় না। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, গর্ভের সময়কাল, রক্তশূন্যতার কারণ এবং মায়ের লক্ষণ এসব কিছুই বিবেচনা করে চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রক্ত দিতে হবে কিনা সেটা তারা সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে সাধারণভাবে বলতে গেলে এইচবি( Hb ) যদি ১১ জিডিএল ( g/dl ) বা তার বেশি তাহলে এটা স্বাভাবিক। আবার এইচবি( Hb ) ১০ থেকে ১০.৯ জিডিএল ( g/dl ) হয়, তাহলে হালকা রক্তশূন্যতা। আবার এইচবি( Hb ) ৭ থেকে ৯.৯ জিডিএল ( g/dl ) যদি হয় তাহলে মাঝারি রক্তশূন্যতা। আয়রন ট্যাবলেট বা প্রয়োজনে শিরায় আইভি (IV) আয়রন দেওয়া হয়।

এইচবি( Hb ) ৭ জিডিএল ( g/dl ) এর নিচে অর্থাৎ গুরুতর রক্তশূন্যতা। এ অবস্থায় বিশেষ করে যদি শ্বাসকষ্ট, বুক ধরফর, মাথা ঘোরা, অজ্ঞানের ভাব, রক্তক্ষরণ, প্রসবের কাছাকাছি হওয়া, অন্যান্য জটিলতা থাকে তাহলে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

তবে তবে এইচবি( Hb ) ৭ জিডিএল ( g/dl ) এর নিচে হলে যে সবার রক্ত দিতে হবে এমনটা নয়। অনেকের ক্ষেত্রে এইচবি( Hb ) একটু বেশি হলেও যদি গুরুতর উপসর্গ বা বিশেষ পরিস্থিতিতে থাকে, তাহলে চিকিৎসক রক্ত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

লেখক এর শেষ মন্তব্য

পরিশেষে আপনাদেরকে একটি কথাই বলতে চাই সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং সঠিক যে রুটিন দিয়ে দিলাম সেই রুটিন অনুযায়ী চলবেন। আশা করি আপনার খুব দ্রুততার সাথে রক্তশূন্যতা দূর হবে এবং আপনার যদি উপরের বিষয়ে কোনো লক্ষণ থাকে তাহলে বুঝতে পারবেন এবং পাশাপাশি কোন সময় রক্ত দেবেন সেটা উল্লেখ করেছি আশা করি সবকিছুই বুঝতে পেরেছেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জিনেউস আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url